মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, তার নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিক সংস্থা ‘বোর্ড অব পিস’ আগামী বৃহস্পতিবারের বৈঠকে গাজা উপত্যকায় পুনর্গঠন ও মানবিক সহায়তার জন্য ৫০০ কোটি ডলারের বেশি অর্থ প্রদানের অঙ্গীকার করবে।

রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) ট্রাম্প নিজের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ‘ট্রুথ স্যোশাল’-এ এই তথ্য জানিয়ে বলেন, সংস্থার সদস্য রাষ্ট্রগুলো ইতিমধ্যেই ফিলিস্তিনের ওই অঞ্চলে জাতিসংঘ অনুমোদিত স্থিতিশীলতা বাহিনী এবং স্থানীয় পুলিশের জন্য হাজার হাজার কর্মী মোতায়েন করেছে।

বোর্ড অব পিসের লক্ষ্য

ডোনাল্ড ট্রাম্পের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, গাজায় মানবিক সহায়তা ও পুনর্গঠন কার্যক্রম চালানোর পাশাপাশি, হামাসকে চুক্তি রক্ষা এবং সম্পূর্ণ নিরস্ত্রীকরণে বাধ্য করার লক্ষ্য রয়েছে। ট্রাম্প বলেন, “‘বোর্ড অব পিস’ ইতিহাসের অন্যতম প্রভাবশালী আন্তর্জাতিক সংস্থা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করবে, এবং এর চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করা আমার জন্য সম্মানের বিষয়।”

বোর্ডের গঠন ও সদস্যরা

‘বোর্ড অব পিস’ গঠন করা হয়েছে গাজা যুদ্ধের স্থায়ী সমাধান, পুনর্গঠন এবং দীর্ঘমেয়াদি শান্তি নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে। সংস্থাটি গত জানুয়ারিতে সুইজারল্যান্ডের দাভোস সম্মেলনে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করেছে।

বোর্ডের শক্তিশালী নির্বাহী কমিটিতে রয়েছে:

➤মার্কো রুবিও (মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী)

➤জ্যারেড কুশনার (ট্রাম্পের জামাতা ও সাবেক উপদেষ্টা)

➤স্টিভ উইটকফ (মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক মার্কিন বিশেষ দূত)

➤টনি ব্লেয়ার (ব্রিটেনের সাবেক প্রধানমন্ত্রী)

➤অজয় বাঙ্গা (বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট)

প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হিসেবে আমন্ত্রণ পেয়েছে আর্জেন্টিনা, মিসর, হাঙ্গেরি, ইন্দোনেশিয়া, জর্ডান, মরক্কো, পাকিস্তান, কাতার, সৌদি আরব, তুরস্ক এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ আরও কয়েকটি দেশ।

আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতিক্রিয়া

বিশ্লেষকদের মতে, সংস্থাটি গাজা পুনর্গঠন ও মানবিক সহায়তায় বড় ভূমিকা রাখতে পারে। অর্থায়ন এবং আন্তর্জাতিক তদারকির মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদি শান্তি ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে বোর্ড অব পিস কার্যকর ভূমিকা রাখতে যাচ্ছে।